লিখেছেন: শাহীদ হাতিমী।

করোনা ভাইরাস মাহামারীতে বিপর্যস্ত গোটা পৃথিবী। দুনিয়ার সর্বত্র চলছে এক নাজুক পরিস্থিতি। বাংলাদেশের মানুষ সরকারের প্রজ্ঞাপন মানতে দুই মাস যাবত কর্মহীন। একপ্রকারের অবরুদ্ধ অবস্থা। সাস্থ্যবিধির উপেক্ষা হবে দেখে শহরে বন্দরেও বেরুনোর সুযোগ নেই! অনাহার আর অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছে মানুষজন। সারাদেশের মতো কঠিন এই পরিস্থিতির শিকার সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) নির্বাচনী আসনের জনগণ। খবরহীন বর্তমান এমপি। এই দুঃসময়ে চুপসে বসে থাকতে পারেননি একজন আলেমে দ্বীন আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক।

আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক হাফিজাহুল্লাহ। বিগত সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৫ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন! কিন্তু জনগণ ভোট দিলেও মধ্যরাতের নির্বাচনে তাঁকে বিজয়ী করা কি সম্ভব? ভোট ডাকাতরা বর্তমান সময়ের চাল চুরির মতো সেদিন ফলাফলও ডাকাতি করেছিল! তবুও জনতার নেতা তাঁর জনগণকে নিয়েই ব্যস্ত! রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করেও ভুলেননি তিনি বিপর্যস্ত জনগণের কথা! নির্বাচনী এলাকার গরীব, দুঃখি, দিনমজুর, মধ্যবিত্ত ও কর্মহীন মানুষের পাশে দাড়িয়ে প্রমাণ দিলেন প্রকৃত নেতার।

দেশের খ্যাতিমান হাদীস বিশারদ, লব্ধপ্রতিষ্ঠ লেখক-গবেষক, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ’র সহসভাপতি, কানাইঘাট- জকিগঞ্জের মাটি ও মানুষের কল্যাণকামী, শায়খুল হাদীস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক সাহেবের সৌজন্যে, প্রকাস কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় এবং কানাইঘাট-জকিগঞ্জ উপজেলাদ্বয়ের জমিয়ত, যুবজমিয়ত ও ছাত্রজমিয়তের তত্ত্বাবধানে করোনা পরিস্থিতিতে বিপর্যস্ত মানুষের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে খাদ্য সহায়তা, উপহার সামগ্রী।

এভাবেই ইসলামী রাজনীতিকরা দ্বীন, জাতি, দেশ ও সমাজের বিপদে ভূমিকা রাখেন। জনগণের দুঃসময়ে জনবন্ধু হয়ে শায়খুল হাদীস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক সাহেবরা পাশে দাঁড়ান। জাজাকাল্লাহ, বারাকাহুমুল্লাহ। আলেমদের বিচরণ শুধু মসজিদ মাদরাসায় নয়, বরং তারা অবদান রাখেন জাতীয় জীবনের সংকটকালেও। এগিয়ে আসেন গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে অনাহার অর্ধাহারীর মুখে হাসি ফুটানোর জন্য। দুঃসময়ের জননেতা আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক জন্ম নিক সমাজের প্রতিটি পরতে, আমাদের ঘরে ঘরে।

লেখকঃ সাংবাদিক,কলামিস্ট ও রাজনীতিবিদ।