চলমান২৪:: “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিকে দেশের ছাত্র সমাজের সবচেয়ে কাছে নিয়ে যেতে যাদের ভূমিকা সর্বাধিক মুখ্য মনে করা হতো তাদের ভেতর অন্যতম ছিলেন ইলিয়াস আলী, তৎকালীন জাসদ ছাত্রলীগ, মুজিবাদী ছাত্রলীগ, এরশাদ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ছাত্র সমাজ ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা নষ্ট সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করার জন্য-ই ইলিয়াস গ্রুপ সৃষ্টি হয়েছিল. সময়ের প্রয়োজনে সারাদেশে ছড়িয়ে পরেছিলো ইলিয়াস গ্রুপের বীরত্বের কাহিনী;

১৯৯১ সালে সারা দেশের ছাত্রদলের নেতাদের ভোটে ইলিয়াস আলী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন, নির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটি রিজভী-ইলিয়াস (সম্পূর্ণ ইলিয়াস গ্রুপ), ১৯৯১ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সোহেল-নাদিম কমিটিও নির্বাচিত ছিল (আজ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সেটাই একমাত্র নির্বাচিত কমিটি, সম্পূর্ণ ইলিয়াস গ্রুপ); ঢাকা কলেজ ছাত্র সংসদ সফু-নেওয়াজ (সম্পূর্ণ ইলিয়াস গ্রুপ) এমন করে ঢাকা শহর সহ পুরো দেশে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ইলিয়াস গ্রুপের বিপুল বিজয় হয়েছিল, পরবর্তী একটি কমিটি বাদে মিলন-আলম কেন্দ্রীয় কমিটি অন্য প্রত্যেকটি ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি ইলিয়াস গ্রুপ কেন্দ্রিক ছিল যেমন এ্যানি-সোহেল কমিটি (সম্পূর্ণ ইলিয়াস গ্রুপ), ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি সোহেল-পিন্টু (অনেকটা ইলিয়াস গ্রুপ) ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি পিন্টু-লাল্টু (অনেকটা ইলিয়াস গ্রুপ), ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি লাল্টু-হেলাল (অনেকটা ইলিয়াস গ্রুপ), ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি হেলাল-বাবু (সম্পূর্ণ ইলিয়াস গ্রুপ), ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি টুকু-আলীম (অনেকটা ইলিয়াস গ্রুপ), ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি জুয়েল-হাবিব (সম্পূর্ণ ইলিয়াস গ্রুপ) এন্ড সর্বশেষ ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি রাজীব-আকরাম (অনেকটা ইলিয়াস গ্রুপ); অতঃএব ইলিয়াস আলী-ই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আপসহীন মহাজন. ইলিয়াস আলী তার রাজনৈতিক জীবনে একমুহূর্তের জন্যও কারো সাথে আপোষ করেননি আর মাথানত করা মোটেও তার স্বভাব ছিল না, ফিরে আসুন; ফিরে আসুন”

হাসান সজীব
স্বনির্ভর রিপোর্টার