ফরিদ আহমদ ফেরদাউস :: ১লা এপ্রিল April fool বা বোকা বানানোর দিবস হিসেবে পালন করা হয়।স্পেনের রাজধানী গ্রানাডায় খৃষ্টান রাজা ফার্ডিন্যান্ড ও পর্তুগিজ রাণী ইসাবেলার বাহিনী আক্রমণ করলে,মুসলমানদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে তারা সুবিধা করতে পারে না।তখন তারা মুসলমানদের অবরোধ করে রাখে।পরিশেষে সমঝোতা হিসেবে মুসলমানদেরকে আত্নরক্ষার সুযোগ দেয়ার কথা বলে তারা ঘোষণা করে-মুসলমানদের যারা অস্র ত্যাগ করে মসজিদে আশ্রয় নিবে,তাদেরকে পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া হবে এবং যারা জাহাজে আশ্রয় নিবে,তাদেরকে অন্য মুসলিম দেশে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। সরলপ্রাণ মুসলমানরা তাদের এই কুটচাল বুঝতে না পেরে তারা অস্র ত্যাগ করে মসজিদে এবং জাহাজে গিয়ে আশ্রয় নেয়।তখন ফার্ডিন্যান্ড এর নির্দেশে তার বাহিনী সমস্ত মসজিদ তালাবদ্ধ করে সেগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেয়!এবং জাহাজগুলোকে মাঝ সাগরে নিয়ে কোনটাতে আগুন লাগিয়ে দেয় ও কোনটাকে ডুবিয়ে দেয়!ফলে সেদিন আগুনে পুড়ে ও সাগরে ডুবে সাত লক্ষ স্পেনিশ মুসলমান একসাথে নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করেন। সেদিন সরলপ্রাণ মুসলমানদের ধোকা দিয়ে বোকা বানিয়ে তাদের এই করুণ অবস্থা দেখে খৃষ্টানরা অট্টহাসিতে লুটোপুটি খেয়েছিলো।তখন আনন্দে মেতে উঠে পাষন্ড ফার্ডিন্যান্ড রাণী ইসাবেলাকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলো, ওহে মুসলমান!তোরা এতো বোকা!আর সেখান থেকেই তারা উদ্ভব করলো এপ্রিল ফুল। অর্থাৎ এপ্রিলের বোকা।তখন থেকেই খৃষ্টানরা প্রতিবছর মুসলমানদের ধোকা দিয়ে বোকা বানানোর স্বারক হিসেবে এ দিবসটি এপ্রিল ফুল নামে পালন করে আসছে। এ দিবস কোন মুসলমান পালন করতে পারে না।তবে দুঃখজনক যে,আমাদের অনেক মুসলিম ভাই বোনেরাও তাদের সাথে তাল মিলিয়ে এ দিবস পালন করে যাচ্ছেন!অথচ এই দিন মুসলিম জাতির শোকের দিন।এবং ধোকাবাজ খৃষ্টানদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও নিন্দা প্রাকাশ করাই যুক্তিযুক্ত ছিলো। সেই ১লা এপ্রিলের কালো অধ্যায়ের কথা মুসলমানদের ভুলে যাওয়ার নয়।এর রক্তাক্ত ক্ষত শুকাবার নয়।